সেকুলার এডুকেশন

বিজয় বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ২, জুলাই, ২০২২, শনিবার
সেকুলার এডুকেশন

★ আপনি কি জানেন, সেকুলার এডুকেশনের টার্গেট কি?
যদি মনে করেন ধর্ম নিরপেক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

★ তাদের মুল টার্গেট হলো ধর্ম নিরপেক্ষ শিক্ষার দোহাই দিয়ে মুসলমান ছেলেমেয়েদেরকে ধর্মহীন করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা।

★ ইউরোপ আমেরিকা আফ্রিকা অষ্ট্রেলিয়া ও এশিয়ায় সেকুলার শিক্ষা ব্যবস্থা হলো তাদের সংখ্যা গরিষ্ঠ অমুসলিম নাগরিকদের প্রতি লক্ষ্য করেই নিজ নিজ শিক্ষা সিলেবাস ও কারিকুলাম প্রবর্তন করতঃ তাদের মতো করে শিক্ষা প্রদান, ছুটি প্রদান, আনন্দ উৎসব পালনে বাধ্য করা।

★ সকল বৈপরীত্য ও বিরোধী আচরণ এমনকি রেইসিজম হলো কেবলমাত্র শুধুমাত্র একমাত্র ইসলাম ও মুসলিমদের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে।

★ খৃষ্টান রাষ্ট্রগুলো তাদেরটা প্রাধান্য দেয়। হিন্দু রাষ্ট্র ও একই আচরণ করে। ধর্মহীন রাষ্ট্রে এইথিজমকে প্রমোট করা হয়। য়াহুদরা তাদেরটা কিঞ্চিৎ পরিমাণ ও ছাড় দেয় না। এরপরও সবাই বলে সেকুলার এডুকেশন ফলো করে। মিথ্যাবাদীর দল এদেরকেই বলে।

★ মুলত এই সেকুলারের জন্মই হয়েছিল ইসলামি শিক্ষাকে চিরতরে নির্মুল করার জন্য। এটাই আসল টার্গেট।

★ বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাষ্ট্র। যদি এখানে আসলেই সেকুলার এডুকেশন ফলো করা হয় তাহলে সেকুলারদের বাতানো নির্দেশিকা ও রেওয়াজ মতে মুসলমানদের ইসলামি শিক্ষাই গুরুত্ব পাওয়ার কথা সর্বাগ্রে। এমন না করে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ইসলামকে মিটিয়ে দেয়া কিসের আলামত?

★ সৃজনশীল সৃজনশীল সৃজনশীল এর বুলি আওড়িয়ে ইসলামি শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয় শিক্ষা থেকে নির্মুল করার অধিকার তাদেরকে কে দিলো?
এটাই আজকের প্রতিপাদ্য কুয়েশ্চন।

★ নাকিসাতুল আকলরা সকল পদ দখল করে এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ও কম বুদ্ধিশুদ্ধির হাতে দিয়ে রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা মুসলমান মাত্রই বোধগম্য।

★ তারা স্বপ্ন দেখছে ২০৪১ সাল পর্যন্ত। কারণ প্রশাসন ও আইনকে তাদের গোলাম বানাতে সক্ষম হয়েছে। নতুবা এমন স্বপ্নতুষ স্বপ্নদোষে পরিণত হতো। এটা জাতির জন্য ভাগ্যের নির্মম পরিহাস।

★ কুদরত ই খোদা কমিশন শিক্ষা কারিকুলামের পথধরে, সেকুলারের দোহাই দিয়ে, হিন্দুত্ববাদি অনুশাসনের প্রমোশন করতে দখলদার বাহিনী সবকিছু পাকাপোক্ত করে ফেলেছে। এমতাবস্থায় মুসলমানদের করণীয় আছে অনেক কিছু।

★ বিশেষ করে কওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বোর্ডগুলো এহেন দূর্ভেদ্য পরিস্থিতিতে একগুঁয়ে হয়ে বসে থাকলে অকল্পনীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। সময় বলছে, এখনই সুযোগ নেয়ার সুবর্ণতম কাল।

★ ধর্মহীন কর্মশিক্ষা থেকে দেশের কোটি কোটি মুসলমানদেরকে বাঁচাতে যুগোপযোগী শিক্ষার সাথে সমন্বয় করে সকল ইসলামি প্রতিষ্ঠানকে সাজিয়ে নেয়া বুদ্ধিমানদের কাজ।

★ কর্মমুখী ইসলামি শিক্ষা সর্বত্র বাস্তবায়ন করা জরুরি। কে কি বললো সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে দেশের সন্তানদেরকে নিয়ে ভাবার সময়। জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা হোক সকলের ব্রতী।

★ যদি আজও সাজানো না হয়, সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয় তাহলে এর জবাব ও দিতে হবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট।

প্রধান সম্পাদক

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 10
    Shares