কুরআনে শিষ্টাচারের শিক্ষা

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ২২, ডিসেম্বর, ২০২১, বুধবার
<strong>কুরআনে শিষ্টাচারের শিক্ষা</strong>

জামান শামসঃ আদব শব্দটি আরবি হলেও বাংলা ভাষায় এটা বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত শব্দ। আদবের অর্থ হলো- বিনয়, নম্রতা, ভদ্রতা, সভ্যতা, কৃষ্টি, সুশিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিকতা, শোভনতা, শিষ্টাচার। আর আদব-কায়দা মানে ভদ্র সমাজের রীতি-পদ্ধতি; ভদ্র ব্যবহার। অন্যভাবে বলা যায়; আদব-কায়দা মানে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা, সভ্যতা ও মার্জিত সংস্কৃতির দ্বারা আত্মগঠনের অনুশীলন করা।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্র, ভালো ব্যবহার ও পরিমিত ব্যয় কিংবা মধ্য পন্থা অবলম্বন করা নবুওয়তের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ সমতুল্য।’ হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘তুমি আদব অন্বেষণ কর; কারণ, আদব হলো বুদ্ধির পরিপূরক, ব্যক্তিত্বের দলিল, নিঃসঙ্গতায় ঘনিষ্ঠ বন্ধু, প্রবাসজীবনের সাথী এবং অভাবের সময়ে সম্পদ।

শিষ্টাচারের বিভিন্ন দিক কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। শিষ্টাচারের শিক্ষা দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন,
‎خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بِالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الْجَاهِلِيْنَ ‘
তুমি ক্ষমার নীতি গ্রহণ কর। লোকদের সৎকাজের আদেশ দাও এবং মূর্খদের এড়িয়ে চল’ (আ‘রাফ ,আয়াত ১৯৯)।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ আরো বলেন,

‎وَلَا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلَا السَّيِّئَةُ ادْفَعْ بِالَّتِيْ هِيَ أَحْسَنُ فَإِذَا الَّذِيْ بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ كَأَنَّهُ وَلِيٌّ حَمِيْمٌ، وَمَا يُلَقَّاهَا إِلَّا الَّذِيْنَ صَبَرُوْا وَمَا يُلَقَّاهَا إِلَّا ذُو حَظٍّ عَظِيْمٍ-

ভাল ও মন্দ কখনো সমান হ’তে পারে না। তুমি উত্তম দ্বারা (অনুত্তমকে) প্রতিহত কর। ফলে তোমার সাথে যার শত্রুতা আছে, সে যেন (তোমার) অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে যাবে। এই গুণের অধিকারী কেবল তারাই হ’তে পারে, যারা ধৈর্যধারণ করে এবং এই গুণের অধিকারী কেবল তারাই হ’তে পারে, যারা মহা ভাগ্যবান’ (ফুছছিলাত/হামিম সাজদাহ ৪১/৩৪-৩৫)।

মুমিনদের প্রশংসায় আল্লাহ আরো বলেন

‎الَّذِيْنَ يُنْفِقُوْنَ فِي السَّرَّاءِ وَالضَّرَّاءِ وَالْكَاظِمِيْنَ الْغَيْظَ وَالْعَافِيْنَ عَنِ النَّاسِ وَاللهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِيْنَ-

যারা সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতা সর্বাবস্থায় (আল্লাহর রাস্তায়) ব্যয় করে, যারা ক্রোধ দমন করে ও মানুষকে ক্ষমা করে। বস্ত্ততঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন’ (আলে ইমরান ৩/১৩৪)।

কুরআনে হাকীমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর বান্দাদের etiquette শিক্ষা দিয়েছেন নবী আ.গণের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে। এমন বেশ কয়েকটি উদাহরন রয়েছে।

ঈসা আ. বলেন-

‎وَاِذۡ قَالَ اللّٰہُ یٰعِیۡسَی ابۡنَ مَرۡیَمَ ءَاَنۡتَ قُلۡتَ لِلنَّاسِ اتَّخِذُوۡنِیۡ وَاُمِّیَ اِلٰہَیۡنِ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ ؕ قَالَ سُبۡحٰنَکَ مَا یَکُوۡنُ لِیۡۤ اَنۡ اَقُوۡلَ مَا لَیۡسَ لِیۡ ٭ بِحَقٍّ ؕ؃ اِنۡ کُنۡتُ قُلۡتُہٗ فَقَدۡ عَلِمۡتَہٗ ؕ تَعۡلَمُ مَا فِیۡ نَفۡسِیۡ وَلَاۤ اَعۡلَمُ مَا فِیۡ نَفۡسِکَ ؕ اِنَّکَ اَنۡتَ عَلَّامُ الۡغُیُوۡبِ

এবং (সেই সময়ের বর্ণনাও শোন) যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা ইবনে মারয়াম! তুমিই কি মানুষকে বলেছিলে যে, তোমরা আল্লাহ ব্যতীত আমাকে ও আমার মা’ কে মাবুদরূপে গ্রহণ কর? সে বলবে, আমি তো আপনার সত্তাকে (শিরক থেকে) পবিত্র মনে করি। যে কথা বলার কোনও অধিকার নেই, সে কথা বলার সাধ্য আমার ছিল না। _আমি _এরূপ _বলে _থাকলে _আপনি_ অবশ্যই _তা _জানতেন_। আমার অন্তরে যা গোপন আছে আপনি তা জানেন, কিন্তু আপনার গুপ্ত বিষয় আমি জানি না। নিশ্চয়ই যাবতীয় গুপ্ত বিষয়ে আপনি সম্যক জ্ঞাত।
(আল মায়িদাহ – ১১৬)

নবী ঈসা আ. বললেন না -হে আল্লাহ ! আমি তো এমন কথা বলিনি বরং তিনি আল্লাহর ইজ্জত ও ইলমকে সম্পৃক্ত করে জবাবে বললেন-হে আল্লাহ ! এমন কথা যদি বলে থাকি তাহলে তা আপনার ইলমে তো অবশ্যই আছে। প্রথমটিতে আছে ঔদ্ধত্ব ও নেতিবাচকতা।আর উনার জবাবে রয়েছে আনুগত্য ও আল্লাহর সিফাতের কথা।

খিযির আ. মুসা আ.কে সাথে নিয়ে চলছিলেন আর জ্ঞানের কথা শিক্ষা দিচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সংঘটিত তিনটি ঘটনার একটি ছিলো তিনি নদী পার হতে গিয়ে এক মাঝির ভালো একটি নৌকা ফুটো করে দিয়েছিলেন। কাজটি আপাতঃদৃষ্টিতে মোটেও ভালোকাজ ছিলোনা।যদিও কাজটি আল্লাহর হুকুমে করেছিলেন তবুও তার দায়দায়িত্ব আল্লাহর উপর না চাপিয়ে নিজের কাঁধে নিয়ে বললেন-

‎اَمَّا السَّفِیۡنَۃُ فَکَانَتۡ لِمَسٰکِیۡنَ یَعۡمَلُوۡنَ فِی الۡبَحۡرِ فَاَرَدۡتُّ اَنۡ اَعِیۡبَہَا وَکَانَ وَرَآءَہُمۡ مَّلِکٌ یَّاۡخُذُ کُلَّ سَفِیۡنَۃٍ غَصۡبًا
নৌকাটির ব্যাপারটা এই, সেটি ছিল কয়েকজন গরীব লোকের, যারা সাগরে কাজ করত। আমি সেটিকে ক্রটিযুক্ত করে দিতে চাইলাম। ( কেননা ) তাদের সামনে ছিল এক রাজা, যে বলপ্রয়োগে সব ( ভালো ) নৌকা কেড়ে নিত।
(আল কাহাফ – ৭৯)

তিনি কাজটি আল্লাহর হুকুমে করেছিলেন-একথা বললেও তা মিথ্যা হতোনা কিন্ত তা হতো আল্লাহর শানে আদবের খেলাপ। আরেকটু অগ্রসর হয়ে তৃতীয় ঘটনাটির ক্ষেত্রে অর্থাৎ এরপর উভয়ে চলতে লাগল; চলতে চলতে এরা এক জনপদের অধিবাসীদের নিকট পৌঁছে তাদের নিকট খাদ্য চাইল; কিন্তু তারা তাদের মেহমানদারী করতে অস্বীকার করল। এরপর সেখানে তারা এক পতনোন্মুখ প্রাচীর দেখতে পেল এবং সে একে সুদৃঢ় করে দিল। মূসা বলল, ‘আপনি তো ইচ্ছা করলে এটার জন্যে পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারতেন।জবাবে খিযির আ. বললেন-

‎وَاَمَّا الۡجِدَارُ فَکَانَ لِغُلٰمَیۡنِ یَتِیۡمَیۡنِ فِی الۡمَدِیۡنَۃِ وَکَانَ تَحۡتَہٗ کَنۡزٌ لَّہُمَا وَکَانَ اَبُوۡہُمَا صَالِحًا ۚ فَاَرَادَ رَبُّکَ اَنۡ یَّبۡلُغَاۤ اَشُدَّہُمَا وَیَسۡتَخۡرِجَا کَنۡزَہُمَا ٭ۖ رَحۡمَۃً مِّنۡ رَّبِّکَ ۚ وَمَا فَعَلۡتُہٗ عَنۡ اَمۡرِیۡ ؕ ذٰلِکَ تَاۡوِیۡلُ مَا لَمۡ تَسۡطِعۡ عَّلَیۡہِ صَبۡرًا ؕ

বাকি থাকল প্রাচীরটি। এটি ছিল এই শহরে বসবাসকারী দুই ইয়াতীমের। এর নিচে তাদের গুপ্তধন ছিল এবং তাদের পিতা ছিল একজন সৎলোক। সুতরাং _আপনার _প্রতিপালক _চাইলেন_ ছেলে _দু’টো _প্রাপ্তবয়সে _উপনীত _হোক _এবং _নিজেদের_ গুপ্তধন_ বের _করে _নিক। এসব আপনার প্রতিপালকের রহমতেই ঘটেছে। আমি কোন কাজই মনগড়াভাবে করিনি। আপনি যেসব ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করতে পারেননি, এই হল তার ব্যাখ্যা।
(আল কাহাফ – ৮২)

এখানে যেহেতু কাজটি একটি উত্তম কাজ ছিলো তাই এখানে নিজের ইলমের বাহাদুর প্রকাশ না করে আল্লাহর হুকুমের কথা উল্লেখ করলেন। সুবহান আল্লাহ।

আরেকটি ঘটনা লক্ষ্য করুন।মুসা আ. হিযরত করে দেশত্যাগ করলেন।দীর্ঘ সফরে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত।ক্ষুধার্তও। তিনি লক্ষ্য করলেন দু’জন বালিকা পানি সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করছে। শরীরে ক্লান্তি সত্তেও তিনি তাদের সাহায্য করলেন। এরপর আল্লাহর কাছে ক্লান্তি নিরসন ও খাবারের জন্য প্রার্থনা করলেন-ভাষা দেখুন,খাবারের কথা না বলে বলছেন-হে আল্লাহ ! আমি আপনার কল্যাণের ভিখারী।

‎فَسَقٰی لَہُمَا ثُمَّ تَوَلّٰۤی اِلَی الظِّلِّ فَقَالَ رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ
তখন মূসা তাদের সম্মানাথে তাদের পশুগুলোকে পানি পান করিয়ে দিল। তারপর একটি ছায়াস্থলে ফিরে আসল। তারপর বলল, হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী।
(আল কাসাস – ২৪)

ইব্রাহীম আ. আল্লাহ তাআলার গুণাবলী বর্ণনা করছেন। সূরা শুআরার এই পাঁচটি আয়াত লক্ষ্য করুন-

‎الَّذِیۡ خَلَقَنِیۡ فَہُوَ یَہۡدِیۡنِ ۙ
যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনিই আমার পথপ্রদর্শন করেন।
(আশ শুআরা – ৭৮)

‎وَالَّذِیۡ ہُوَ یُطۡعِمُنِیۡ وَیَسۡقِیۡنِ ۙ
এবং আমাকে খাওয়ান ও পান করান।
(আশ শুআরা – ৭৯)

‎وَاِذَا مَرِضۡتُ فَہُوَ یَشۡفِیۡنِ ۪ۙ
এবং আমি যখন পীড়িত হই, আমাকে শেফা দান করেন।
(আশ শুআরা – ৮০)

‎وَالَّذِیۡ یُمِیۡتُنِیۡ ثُمَّ یُحۡیِیۡنِ ۙ
এবং যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, ফের আমাকে জীবিত করবেন।
(আশ শুআরা – ৮১)

‎وَالَّذِیۡۤ اَطۡمَعُ اَنۡ یَّغۡفِرَ لِیۡ خَطِیۡٓئَتِیۡ یَوۡمَ الدِّیۡنِ ؕ
এবং যার কাছে আমি আশা রাখি, হিসাব – নিকাশের দিন তিনি আমার অপরাধসমূহ ক্ষমা করবেন।
(আশ শুআরা – ৮২)

আগের দু’টি আয়াতে আল্লাহ….. করেন,শেষের দু’টি আয়াতেও তাই কিন্ত মাঝের আয়াতটিতে -আমি যখন পীড়িত হই। একথা বললে কোন মিথ্যা হতোনা যে আল্লাহই আমাকে রোগ বিমারী দেন,তিনিই ফের সুস্থ করেন। কিন্ত নবীকে আল্লাহ তা শিখাননি।সুবহান আল্লাহ।

আইয়ূব আ. কঠিন বিমারীতে দীর্ঘ আঠারো বছর কষ্ট পান।তার সমস্ত শরীর থেকে গোশত খসে পড়েছিল। ভয়াবহ দুর্গন্ধ সহ্য করতে না পেরে চার পাশের লোকজন,আত্মীয় স্বজন তাকে পরিত্যাগ করেছিলো।মুখ খুলে বলেননি যে আয় আল্লাহ ! এতো কষ্ট কেন আমাকে দিচ্ছ ? তোমার কি একটুও দয়া হয়না।তুমি তো পারো ! আমাকে সুস্থ করে দাও।অথচ তার দোয়ার etiquette দেখুন-

‎وَاَیُّوۡبَ اِذۡ نَادٰی رَبَّہٗۤ اَنِّیۡ مَسَّنِیَ الضُّرُّ وَاَنۡتَ اَرۡحَمُ الرّٰحِمِیۡنَ ۚۖ
এবং আয়ুবকে দেখ, যখন সে নিজ প্রতিপালককে ডেকে বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি দুঃখ ও কষ্টে নিপতিত হয়েছি এবং তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।
(আল আম্বিয়া – ৮৩)

আদম আ. এর ঘটনার কথা আমরা জানি। বেহেশতের সর্বাপেক্ষা নিরাপদ ও সুরক্ষিত স্থানে আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি করে স্রী সমেত থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।সালাত সাওম এমন কোন বন্দেগী ছিলোনা। সারাদিন খাওয়া দাওয়া আর বেহেশত ঘুরে দেখা।হুকুম একটাই-নিষিদ্ধ গাছের কাছে যাওয়া যাবেনা। শয়তানের কুমন্ত্রনায় তাই লংঘিত হলো। তিনি এর জন্য কাউকে দোষ দিলেন না উপরন্ত নিজেকে নিজে অপরাধী সাব্যস্ত করে ক্ষমা চাইলেন- ক্ষমার ভাষাটিও আল্লাহ শিক্ষা দিয়েছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত দুনিয়াবাসীর জন্য ক্ষমার দোয়া হিসাবে সেটি কুরআনে উদ্ধৃত করে দিলেন-

‎قَالَا رَبَّنَا ظَلَمۡنَاۤ اَنۡفُسَنَا ٜ وَاِنۡ لَّمۡ تَغۡفِرۡ لَنَا وَتَرۡحَمۡنَا لَنَکُوۡنَنَّ مِنَ الۡخٰسِرِیۡنَ
তারা বলল হে, আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজ সত্তার উপর জুলুম করে ফেলেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন আমাদের প্রতি রহম না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অকৃতকার্যদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।
(আল আরাফ – ২৩)

এমন আরো অনেক দৃষ্টান্ত দেয়া যেতে পারে। ইসলাম বন্দেগী হিসাবে সালাত সাওম হজ্জ যাকাত ফরজ করেছে।এগুলো আল্লাহর হক। কিন্ত সেই সাথে উত্তম চরিত্র ও সুন্দর আচরন,শিষ্টাচারকে পরিপূরক করে দিয়েছেন।নবী আ.গণ মানুষকে বন্দেগীর দাওয়াত ও উত্তম আচরন যুগপৎ শিক্ষা দিয়েছেন। সে কারণে মুমিন ব্যক্তির ঈমান ও অসততা,আল্লাহর ভয় ও অন্যায় জুলুম,সালাতে পাবন্দী ও দুর্নীতি একসাথে চলতে পারেনা।

আল্লাহ আমাদের চারিত্রিক সৌন্দর্য মন্ডিত বিশ্বাসী মানুষ হিসাবে কবুল করুন। আমিন।

বিজয় বাংলা/এনএ/২২/১২?২১

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন