পর্যটনে ফের করোনার থাবা কক্সবাজারে শঙ্কা, সুন্দরবনের নীরব কান্না

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৪, জানুয়ারি, ২০২২, শুক্রবার
<strong>পর্যটনে ফের করোনার থাবা কক্সবাজারে শঙ্কা, সুন্দরবনের নীরব কান্না</strong>

বিজয় বাংলা অনলাইন | সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, বান্দরবানের নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, থানচি-আলিকদম-রুমা- রোয়াংছড়ি, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সাজেক, খাগড়াছড়ির আলুটিলা, রিসাং ঝর্ণা, সিলেটের বিছানাকান্দি, সাদাপাথর, জাফলং, চাবাগান, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, খুলনার সুন্দরবন, মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ডের ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশার ছায়া
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও প্রতিবছরই পর্যটন খাতে আয় বাড়ছে বাংলাদেশের। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কর্মসংস্থান। দেশে পর্যটনের সময় ধরা হয় অক্টোবর থেকে মার্চ এ ছয় মাস। ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশীরা সময় পেলেই ছুটে যান দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, সুন্দরবন, সিলেটসহ সারা দেশে বিভিন্ন জেলায় প্রায় অর্ধশত পর্যটন স্পট গড়ে উঠেছে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে। এসব স্পট ঘিরে কয়েক লাখ মানুষের চলে কর্মযজ্ঞ। করোনার কারণে দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ ছিল। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই এবার দেশের পর্যটন এলাকাগুলো মুখরিত হয়ে উঠে। লাখ লাখ পর্যটক দেশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে ভিড় করেন। প্রাণচাঞ্চল্য হয়ে উঠে পর্যটন এলাকাগুলো। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আবার থাবা বসাচ্ছে পর্যটন ব্যবসায়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করেছে। মার্কেট, শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খুলনা থেকে সুন্দরবনগামী সব লঞ্চ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে পর্যটন ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর পর্যটন ব্যবসা জমে উঠেছিল। দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ থেকে শুরু করে পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল, মোটেল, রিকশাওয়ালা, সিএনজিওয়ালা, মার্কেট, খাবার হোটেল এমন কি খেলনা বিক্রেতা জমিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু করোনার নতুন বিধিনিষেধে নতুন করে সংকটের তৈরি করল।

বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে পর্যটন খাতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের। জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ৯৫০ দশমিক ৭ বিলিয়ন টাকা, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। অদূর ভবিষ্যতে তা ৬ শতাংশে পরিণত হবে। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের থাবায় স্থবির হয়ে যায় পুরো খাত। করোনা টিকা দেয়া শুরু হলে আবারও ধীরে ধীরে খুলে যায় পর্যটনের দুয়ার। তবে দেশের বাইরে যেতে যুক্ত হয়েছে করোনা সার্টিফিকেট, টিকার সার্টিফিকেটসহ নানা শর্ত। অন্যদিকে দেশের ভেতরেই পর্যটন এলাকাগুলো কাছে টানছে সাধারণ মানুষকে। ফলে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেই বাড়তে থাকে চাপ। কক্সবাজারে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, বান্দরবানের নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, থানচি-আলিকদম-রুমা-রোয়াংছড়ির বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সাজেক, খাগড়াছড়ির আলুটিলা, রিসাং ঝর্ণা, সিলেটের বিছানাকান্দি, সাদাপাথর, জাফলং, চাবাগান, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, খুলনার সুন্দরবন, মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ডসহ সারা দেশেই ছড়িয়ে আছে অসংখ্য প্রকৃতির লীলাভ‚মি। আর এসব দেখতে প্রতিদিনই ছুটে যান প্রকৃতিপ্রেমিরা। ছুটির দিনগুলোতে এসব স্পটে থাকে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। পর্যটনে যাদের সংসার চলে তারাও খুশি হয়ে উঠেন দীর্ঘদিন পর পর্যটকদের ভিড়ে। কিন্তু করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আঘাত শুরু হলে নতুন করে সারা দেশে বিধিনিষেধ আরোপ করতে বাধ্য হয় সরকার। আর এতে পর্যটনের ভরা মৌসুমে বিপর্যয়ের শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বান্দরবানের থানচি থেকে পর্যটকদের গাইড হিসেবে দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখান মং। বিধিনিষেধ আরোপের পর গতকাল তিনি বলেন, বিগত কয়েক মাস ধরেই প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটক ঘুরতে এসেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে আবার করোনা বেড়ে যাওয়ায় পর্যটক কমে যাওয়া শুরু হয়েছে। মং বলেন, এমনিতেই দেড় বছর ধরে আমরা যারা পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছি। ওই সময় সংসার চালাতে গিয়ে ধারদেনা করতে হয়েছে। এখনও সেগুলো শোধ করতে পারিনি। এখন যে অবস্থা শুরু হয়েছে তাতে কি অবস্থা হবে বলা কঠিন।

আলিকদমের আরেক গাইড কাউছার হোসেন বলেন, এখনো পর্যটক আসছে। তবে করোনা যেভাবে বাড়ছে তাতে আমরা যারা এই শিল্পের উপর নির্ভরশীল তাদের জন্য অসনিসংকেত।
খাগড়াছড়িতে রিসোর্ট পরিচালনা করেন রঞ্জনা সৌমী। তিনি ভেবেছিলেন করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে যেভাবে পর্যটন শিল্প আবারও নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল তাতে বিগত দিনের ক্ষতি পুষিয়ে কিছুটা লাভ করতে পারবেন। কিন্তু বছরের শুরুতেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় সব ভেস্তে যেতে পারে। রঞ্জনা সৌমী বলেন, একে তো করোনার কারণে দেড় বছর রিসোর্টগুলো থেকে কোন আয় নেই, উল্টো এই রিসোর্ট দেখভালে তাকে খরচ করে যেতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। বিনিয়োগ যা করার করে ফেলেছি। কিন্তু আয় না থাকলেও রিসোর্ট মেইন্টেইন করতে খরচ করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কর্মচারীদের ছাঁটাইও করেছি। যাদের একটা দুটা কটেজ, আর এগুলোর আয় দিয়েই চলে তাদের অবস্থা খুব খারাপ।

কক্সবাজারে বাড়ছে পর্যটন শিল্পে শঙ্কা
কক্সবাজার ব্যুরোর শামসুল হক শারেক জানান, পর্যটন শিল্পে আবারও নেমে আসছে বিপর্যয়। ইতিপূর্বে করোনাকালীন সময়ে দেশের সর্ববৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। এতে পর্যটন শিল্পে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, বান্দরবানের নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, থানচি-আলিকদম-রুমা- রোয়াংছড়ি, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সাজেক, খাগড়াছড়ির আলুটিলা, রিসাং ঝর্ণা, সিলেটের বিছানাকান্দি, সাদাপাথর, জাফলং, চাবাগান, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, খুলনার সুন্দরবন, মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ডের ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশার ছায়া
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও প্রতিবছরই পর্যটন খাতে আয় বাড়ছে বাংলাদেশের। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কর্মসংস্থান। দেশে পর্যটনের সময় ধরা হয় অক্টোবর থেকে মার্চ এ ছয় মাস। ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশীরা সময় পেলেই ছুটে যান দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, সুন্দরবন, সিলেটসহ সারা দেশে বিভিন্ন জেলায় প্রায় অর্ধশত পর্যটন স্পট গড়ে উঠেছে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে। এসব স্পট ঘিরে কয়েক লাখ মানুষের চলে কর্মযজ্ঞ। করোনার কারণে দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ ছিল। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই এবার দেশের পর্যটন এলাকাগুলো মুখরিত হয়ে উঠে। লাখ লাখ পর্যটক দেশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে ভিড় করেন। প্রাণচাঞ্চল্য হয়ে উঠে পর্যটন এলাকাগুলো। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আবার থাবা বসাচ্ছে পর্যটন ব্যবসায়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করেছে। মার্কেট, শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খুলনা থেকে সুন্দরবনগামী সব লঞ্চ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে পর্যটন ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর পর্যটন ব্যবসা জমে উঠেছিল। দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ থেকে শুরু করে পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল, মোটেল, রিকশাওয়ালা, সিএনজিওয়ালা, মার্কেট, খাবার হোটেল এমন কি খেলনা বিক্রেতা জমিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু করোনার নতুন বিধিনিষেধে নতুন করে সংকটের তৈরি করল।

বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে পর্যটন খাতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের। জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ৯৫০ দশমিক ৭ বিলিয়ন টাকা, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। অদূর ভবিষ্যতে তা ৬ শতাংশে পরিণত হবে। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের থাবায় স্থবির হয়ে যায় পুরো খাত। করোনা টিকা দেয়া শুরু হলে আবারও ধীরে ধীরে খুলে যায় পর্যটনের দুয়ার। তবে দেশের বাইরে যেতে যুক্ত হয়েছে করোনা সার্টিফিকেট, টিকার সার্টিফিকেটসহ নানা শর্ত। অন্যদিকে দেশের ভেতরেই পর্যটন এলাকাগুলো কাছে টানছে সাধারণ মানুষকে। ফলে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেই বাড়তে থাকে চাপ। কক্সবাজারে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, বান্দরবানের নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, থানচি-আলিকদম-রুমা-রোয়াংছড়ির বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সাজেক, খাগড়াছড়ির আলুটিলা, রিসাং ঝর্ণা, সিলেটের বিছানাকান্দি, সাদাপাথর, জাফলং, চাবাগান, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, খুলনার সুন্দরবন, মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ডসহ সারা দেশেই ছড়িয়ে আছে অসংখ্য প্রকৃতির লীলাভ‚মি। আর এসব দেখতে প্রতিদিনই ছুটে যান প্রকৃতিপ্রেমিরা। ছুটির দিনগুলোতে এসব স্পটে থাকে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। পর্যটনে যাদের সংসার চলে তারাও খুশি হয়ে উঠেন দীর্ঘদিন পর পর্যটকদের ভিড়ে। কিন্তু করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আঘাত শুরু হলে নতুন করে সারা দেশে বিধিনিষেধ আরোপ করতে বাধ্য হয় সরকার। আর এতে পর্যটনের ভরা মৌসুমে বিপর্যয়ের শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বান্দরবানের থানচি থেকে পর্যটকদের গাইড হিসেবে দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখান মং। বিধিনিষেধ আরোপের পর গতকাল তিনি বলেন, বিগত কয়েক মাস ধরেই প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটক ঘুরতে এসেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে আবার করোনা বেড়ে যাওয়ায় পর্যটক কমে যাওয়া শুরু হয়েছে। মং বলেন, এমনিতেই দেড় বছর ধরে আমরা যারা পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছি। ওই সময় সংসার চালাতে গিয়ে ধারদেনা করতে হয়েছে। এখনও সেগুলো শোধ করতে পারিনি। এখন যে অবস্থা শুরু হয়েছে তাতে কি অবস্থা হবে বলা কঠিন।

আলিকদমের আরেক গাইড কাউছার হোসেন বলেন, এখনো পর্যটক আসছে। তবে করোনা যেভাবে বাড়ছে তাতে আমরা যারা এই শিল্পের উপর নির্ভরশীল তাদের জন্য অসনিসংকেত।
খাগড়াছড়িতে রিসোর্ট পরিচালনা করেন রঞ্জনা সৌমী। তিনি ভেবেছিলেন করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে যেভাবে পর্যটন শিল্প আবারও নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল তাতে বিগত দিনের ক্ষতি পুষিয়ে কিছুটা লাভ করতে পারবেন। কিন্তু বছরের শুরুতেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় সব ভেস্তে যেতে পারে। রঞ্জনা সৌমী বলেন, একে তো করোনার কারণে দেড় বছর রিসোর্টগুলো থেকে কোন আয় নেই, উল্টো এই রিসোর্ট দেখভালে তাকে খরচ করে যেতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। বিনিয়োগ যা করার করে ফেলেছি। কিন্তু আয় না থাকলেও রিসোর্ট মেইন্টেইন করতে খরচ করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কর্মচারীদের ছাঁটাইও করেছি। যাদের একটা দুটা কটেজ, আর এগুলোর আয় দিয়েই চলে তাদের অবস্থা খুব খারাপ।

কক্সবাজারে বাড়ছে পর্যটন শিল্পে শঙ্কা
কক্সবাজার ব্যুরোর শামসুল হক শারেক জানান, পর্যটন শিল্পে আবারও নেমে আসছে বিপর্যয়। ইতিপূর্বে করোনাকালীন সময়ে দেশের সর্ববৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। এতে পর্যটন শিল্পে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 6
    Shares