জীবন্ত কিংবদন্তী

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১২, এপ্রিল, ২০২২, মঙ্গলবার
<strong>জীবন্ত কিংবদন্তী</strong>

কাজী সাখাওয়াত হোসাইন: ‘সাফতা তুরাব’। মিশরের আল গারবিয়্যাহ জেলার আওতাধীন ছোট্ট একটি গ্রাম। আধুনিকায়ন এবং নগরায়নেরও বহু প্রাচীন গ্রাম এটি। রাসূলের (স.) সাহাবীদের মধ্যে আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনুল জাযইন আয যুবাইদি মিশরে ইন্তেকালকারী সাহাবীদের মধ্যে সর্বশেষ সাহাবী। এই সাহাবীকেও সাফতা তুরাব গ্রামে দাফন করা হয়।

১৯২৬ সাল। মিশর তখনও রাষ্ট্র হয়নি। ব্রিটিশ প্রভাবযুক্ত ‘মোহাম্মদ আলী রাজবংশ’ তখন মিশর শাসন করছে। ৯ সেপ্টেম্বর এক প্রহরে পৃথিবীতে আগমন ঘটে এক মানবের। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় ইউসুফ আব্দুল্লাহ আল কারজাভী।

টিপ টিপ করে হাঁটা আর এলোমেলো কথা বলা বাচ্চাটির বয়স দুই বছর। এই সময়েই মৃত্যুর ফেরেশতা এসে তার বাবাকে রবের সান্নিধ্যের আহ্বান জানালেন। বাবা সাড়া দিলেন মৃত্যুর ফেরেশতার ডাকে। মহৎপ্রাণ চাচা শিশু ইউসুফের প্রতিপালনের ভার নিলেন। এতিম হিসেবে চাচার আশ্রয়ে বড়ো হয়ে উঠলো বালক ইউসুফ।
.
দশবছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি কৃতিত্বের সাথে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ করেন। কুরআন হিফজের পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষাও সম্পন্ন করেন। মাধ্যমিকের পড়াশোনার জন্য ভর্তি হোন ‘আল আজহার ইনস্টিটিউটে’।

ছাত্রজীবনে তিনি মিশরের ইখওয়ানুল মুসলীমিনের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হোন। ১৯৪৯ সালে উচ্চমাধ্যমিকে থাকাকালীন রাজতন্ত্রের শাসনামলে তিনি প্রথম গ্রেফতার হোন। তখন মিশরে রাজা ফারুকের শাসন চলছিলো। কারাবরণ করা সত্ত্বেও উচ্চমাধ্যমিকের পরিক্ষায় তিনি সমগ্র মিশরে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন।

তিনি মিশরের বিখ্যাত আলিম, মুফাসসির, বাগ্মী আলোচক শায়খ শারাওয়ীর (র.) ছাত্র ছিলেন। গোটা উম্মতের একজন শিক্ষক ছিলেন তিনি। ইউসুফ আল কারজাভী বলেন–
‘আমি মাধ্যমিকে থাকাকালীন শায়খ শারাওয়ী (র.) আমাকে সরাসরি পড়িয়েছেন। তখন আমি ‘মা’হাদ তানতা আল দ্বীনী আল সানাওয়ীর ছাত্র ছিলাম।’

১৯৫৩ সালে তিনি আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘উসুল আদ্ দ্বীন’ ফ্যাকাল্টির পাঁচশো গ্র্যাজুয়েটকে ডিঙ্গিয়ে প্রথম স্থান লাভ করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফ্যাকাল্টি অব এ্যারাবিক লিটারেচার’ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন এবং উক্ত ফ্যাকাল্টিতে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।

১৯৫৪ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট জামাল আব্দুন নাসেরের শাসনামলে গ্রেফতার হোন। যদিও জামাল আব্দুন নাসেরের ক্ষমতা পাকাপোক্ত হয় ১৯৫৬ সালে। ১৯৫৪ সালের শেষে তিনি পুনরায় গ্রেফতার হোন এবং ২০ মাস কারাবরন করেন।

১৯৫৮ সালে তিনি ভাষা ও সাহিত্যের উপর হায়ার এরাবিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘সামাজিক সমস্যা নিরসনে জাকাতের ভূমিকা’ শিরোনামে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়ে পিএইচডি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন।

১৯৬১ সালে তিনি কাতার কতৃক ‘মা’হাদ আল দ্বীনী আল সানাওয়ী’র ডীন হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার সুবাদে কাতার পাড়ি জমান।

১৯৬৩ সালে তিনি মিশরে আসলে জামাল আব্দুন নাসেরের প্রশাসন তাকে আবার গ্রেফতার করে। কারামুক্ত হয়ে তিনি বলেন- ‘তারা(নাসের প্রশাসন) সবাইকে(ইখওয়ানুল মুসলিমিনের নেতা-কর্মী, আলিম, সন্দেহভাজন কোন লোক) সামরিক কারাগার সহ মিশরের সকল কারাগারে এনে কঠিন শাস্তি দিয়েছে।’

সূরা আল-ইমরানের ১৯৫ নং আয়াত স্মরন করে বলেন–
‘অতঃপর তাদের রব তাদের ডাকে সাড়া দিলেন যে, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের কোন পুরুষ অথবা মহিলা আমলকারীর আমল নষ্ট করব না। তোমাদের একে অপরের অংশ। সুতরাং যারা হিজরত করেছে এবং যাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দেয়া হয়েছে এবং যাদেরকে আমার রাস্তায় কষ্ট দেয়া হয়েছে, আর যারা যুদ্ধ করেছে এবং নিহত হয়েছে, আমি অবশ্যই তাদের ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ দূর করে দেব এবং তাদেরকে প্রবেশ করাবো জান্নাতসমূহে, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে নহরসমূহ; আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিদানস্বরূপ। আর আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম প্রতিদান।’

কাতারের শীর্ষ পর্যায়ের বিভিন্ন একাডেমির সাথে তার সম্পৃক্ততা থাকায় পুনরায় কারামুক্ত হওয়ার পর কয়েকবছর মিশরে কাটিয়ে তিনি পুনরায় কাতার গমন করেন।

১৯৭৭ সালে তিনি ‘কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে’ শরীয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ ফ্যাকাল্টির প্রতিষ্ঠাতা ডীন এর দায়িত্ব পান। এ সময়ের মধ্যে তিনি কাতারের নাগরিকত্বও লাভ করেন।

১৯৯০ সালে তিনি আলজেরিয়ায় নিমন্ত্রণ পান সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চতর ইসলামিক ইনস্টিটিউটগুলোর একাডেমিক কাউন্সিলের তত্ত্বাবধান করার জন্য।

আলজেরিয়ার অনবদ্য সফর শেষে তিনি ফিরে আসেন কাতারে। কাতারে ফিরতেই তিনি কাতার সরকার কতৃক ‘সুন্নাহ ও সীরাহ গবেষণা কেন্দ্রের’ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান।

মিশর ও কাতার সহ অধিকাংশ আরব ও মুসলিম দেশ ছাড়িয়ে তিনি দাওয়াতের পতাকা বহন করেছেন বিভিন্ন অমুসলিম রাষ্ট্রে। তার দাওয়াত, আবেগঘন বক্তৃতা, শক্তিশালী লেখনীর প্রভাব বুদ্ধিভিত্তিক মহলে প্রভাব বিস্তার করেছিল। দাওয়াতি কাজের এই যাত্রায় আট দশক হয়ে গেলেও পৃথিবীর আনাচে-কানাচে এমন কোন মুসলিম নেই, যে তার কোন বই পড়েনি, আলোচনা শুনেনি, তার ফাতওয়া শুনেনি কিংবা তার নাম শুনেনি।

তিনি আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমকে তার দাওয়াতের হাতিয়ার বানিয়েছেন। ইউটিউব, ফেইসবুক, টুইটার, টেলিগ্রাম, ওয়েবসাইট সর্বত্র তার শ্রম ছড়িয়ে আছে। মানুষ যেখান থেকে সহজ, সেখান থেকে উপকৃত হতে পারছে।

দাওয়াতি কাজে উদার মানসিকতা, পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখতে তিনি সচেতন থাকতেন। তিনি এমনভাবে আলোচনা করতেন, এতে সাধারণ ও বিশেষ উভয় ধরনের মানুষ বুঝতে পারতো।

তিনি কোন কনফারেন্স, সমাবেশ কিংবা ক্লাসে উপস্থিত হলে বা কোন বক্তৃতা দিলে জীবন ও শরীয়াহ’র বিভিন্ন দিক সম্পর্কিত নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হতেন। তার প্রদান করা উত্তরগুলো, ফাতওয়াগুলো তার ওয়েবসাইট, বিভিন্ন ফাতওয়াভিত্তিক ওয়েবসাইট, ইউটিউব, বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র বিশ্বে।

তিনি বিশেষ করে সমসাময়িক ইস্যুর ক্ষেত্রে একজন নির্ভরযোগ্য রেফারেন্সে পরিনত হয়েছেন। তিনি ‘ফাতওয়ায়ে মুয়াসারাহ’ নামে মুসলিমদের সমসাময়িক বাস্তবতা সম্পর্কিত একটা বড়ো গ্রন্থ রচনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন–
‘আমাদের দায়িত্ব হলো– মুসলিমদের মধ্যে সচেতনতা তৈরী করা, তাদের চলার পথ ও বুদ্বিমত্তাকে আলোকিত করা এবং তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসা।’

তার বর্ণনা মতে– তার ফাতওয়ার মানহাজ সহজতা ও যুক্তি-প্রমান নির্ভর। কঠিন, পক্ষপাততুষ্ট কিংবা অন্ধ অনুসরন নির্ভর নয়।’

তিনি যেন কখনো নিজের বয়সের হিসেব করেন নি। সবসময় সামর্থ্যটুকু উজাড় করে দিয়েছেন। ২০১১ সালে মিশরের স্বৈরশাসক হুসনে মুবারকের পতনের পর তারুন্যভরা আবেগ নিয়ে তিনি তাহরীর স্কয়ারে আরব শাসকদের উদ্দেশ্য ভাষন দেন। তিনি বলেন–
‘আপনারা জনগনের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন না।, তাদের সাথে সমাঝোতা করুন, তাদের নিয়ে উপহাস করবেন না, তাদেরকে অযোক্তিক অজুহাতে গ্রেফতার করবেন না। চুপ থাকা এ জাতির পক্ষে সম্ভব না।’

২০১৬ সালের শুরুর দিকে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার প্রয়োজনে আত্মঘাতী অপারেশনকে সমর্থন দেন। তিনি বলেন–
‘মানুষের আসল রুপ হলো, সে লড়াই করে শহীদ হবে।’

ফিলিস্তিনিদের প্রতি তার এই সমর্থনের সূত্র ধরে ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সে তার প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি ইখওয়ানুল মুসলীমিনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ইখওয়ানকে মিশরের শাসনভার নেওয়ার আহ্বান জানান। তার এই আহ্বানের সূত্র ধরে ইখওয়ানের সাথে মিশরের সামরিক শাসকদের পুরোনো শত্রুতা আবার জেগে উঠে। সামরিক নেতারা উত্তেজিত হয়ে যায়। এক সামরিক নেতা বলেন–
‘আমি জানতে চাইনা কেন তিনি কাতারে গেলেন!
তাকে মেরে ফেলোনি কেন? কেন মারোনি?’

২০১৮ সালের শুরুতে মিশরের সামরিক আদালত তার বিরুদ্ধে সহিংসতা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড উস্কে দেওয়ার অভিযোগ এনে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় দেয়। ২০১৭ সালে এই অভিযোগগুলোর তালিকা করেছিলো সৌদি আরব, মিশর, আরব আমিরাত ও বাহরাইন সহ প্রভৃতি আরব দেশগুলো।

যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনি সন্তোষ লাভ করেছিলেন, সেটার উপর নির্ভর করে তিনি অনেক একাডেমিক, দাওয়াত ও প্রশিক্ষনমূলক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের সদস্য হয়েছেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলার্স’ এর চেয়ারম্যান পদ। ২০১৮ সালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কতৃপক্ষের নিকট তিনি এই দায়িত্ব পালনে অপরাগতা প্রকাশ করা সত্ত্বেও কতৃপক্ষ তাকে এই পদ থেকে অব্যহতি না দিয়ে বহাল রাখেন।

শায়খ ইউসুফ আল কারজাভী এমন একজন জ্ঞানের বিশ্বকোষ এবং প্রাজ্ঞ আলিম– যিনি একাধারে খতিব, কবি, লেখক, আলোচক, মুজতাহিদ এবং মুফতী। ইসলামি শিক্ষা এবং ইসলামি দাওয়াতের বিভিন্ন সেক্টরে তিনি শতাধিক বই রচনা করেছেন- যা আলিম, শিক্ষাবিদ এবং পাঠকরা গুরুত্বের সাথে গ্রহন করেছে।

এমন কোন ইসলামি রাষ্ট্র নেই, যেখানে তার লেখা আরবি কিংবা স্বীয় ভাষায় অনুদিত বই পাওয়া যায় না। তার লেখার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- লেখাগুলো পক্ষপাতিত্ব, মাযহাব এবং চিন্তাগত অন্ধ অনুসরন থেকে মুক্ত।

তিনি তার ছাত্রদের পাঠদানকালে দুটো লাইন বেশি আবৃত্তি করতেন–
‘হে যুবক, মুমিন হওয়াটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট,
হে যুবক, মুমিন হওয়াটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট,
আমরা মুমিন।’

তার পুরো জীবন তিনি অরাজকতা, ভ্রষ্টতা আর জুলুমের বিরুদ্ধে ব্যায় করেছেন। বিশ্রামের কোন সময় তিনি পান নি। তার প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রচেষ্টা মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ব্যায় হয়েছিল। সামাজিক ও মানবকল্যানমূলক কাজকে তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

ইসলামী দলগুলোকে সমালোচনা করেছেন শুধু রাজনীতিতে মনযোগ দিয়ে মানবিক দিককে অবহেলা করার জন্য। যে কাজটা পশ্চিমা মিশনারীরা করে থাকে। উদাহরণস্বরুপ বলা যায়- দারিদ্র্যতা দূর করা, চিকিৎসা সহজলভ্য করা, জীবনমান সহজ করা, কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।

তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ, অঞ্চল ভ্রমন করেছেন কেবল ইসলামী দলগুলোর কার্যক্রমের ঘাটতি, দূর্বল পদক্ষেপ এবং অবস্থার ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত করার জন্য। তিনি ইসলামী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান পশ্চিমা মিশনারী তৎপরতা রুখে দেওয়ার আবশ্যিকতা নিয়ে ভাবতে।

তিনি কাতারে- ‘কাতার ইসলামী যাকাত ও সাদাকাহ ফান্ড’ নামে একটি জাতীয় ফান্ড গঠন করেন। তিনি বলেন–
‘আমরা যে ইসলামের প্রতি দাওয়াত দিই, সেটা গোটা দুনিয়ার। ইসলামের যে দিকটা তুমি দুনিয়ায় সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠা করবে, তা হচ্ছে- মানুষের অধিকার আদায় করা। মানুষকে ঠিক তার প্রাপ্য অধিকার আদায় করো। তুমি ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছো, অথচ যাদেরকে দাওয়াত দিচ্ছো, তারা উপোষ দিনাতিপাত করছে।’

উম্মাহ’র প্রতি তার অনবদ্য খিদমাহ’র স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, বাদশাহ ফয়সাল সম্মাননা, আল-আতা-আল-আলামী-আল-মুতাময়্যিয এবং হিজরাহ আল নাবাওইয়্যাহ সহ আরও অনেক সম্মাননায় সম্মানিত হয়েছিলেন, যা স্বর্ন দিয়েও পরিমাপ করা সম্ভব না।

শাইখ ইউসুফ আব্দুল্লাহ কারজাভী বলেন–
‘আমার অন্তরে আলো আছে। আমার অন্তর আমার রবের হাতে। আমার রব আমাকে সাহায্য করবেন। আমি আমার জীবন কাটিয়ে দিব আমার আকিদার আশ্রয় নিয়ে। আমি আমার দ্বীন প্রতিষ্ঠা করে হাসিমুখে মৃত্যুবরন করবো।’

শাইখ ইউসুফ আল কারজাভীর জীবনের উপর Aram Media Network এর নির্মিত ডকুমেন্টারি অবলম্বনে।

বিজয় বাংলা/এনএ/১২/৪/২২

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 10
    Shares