জালিয়াতির মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদসহ ৪৬ জনের কারাদণ্ড

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১২, মে, ২০২২, বৃহস্পতিবার
জালিয়াতির মামলায়  সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদসহ ৪৬ জনের কারাদণ্ড

বাংলাদেশে অবৈধভাবে পরিচালিত মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং কোম্পানি ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশীদকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

হারুন-অর-রশীদ ২০০০ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ল্যাফট্যানেন্ট জেনারেল পদে উন্নীত হন এবং সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন।

অবসর গ্রহণের পর হারুন-অর-রশীদ রাষ্ট্রদূত হিসেবেও নিযুক্ত হয়েছিলেন।

২০০৬ সালে মি. রশীদ বিতর্কিত ডেসটিনি গ্রুপে প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির নামে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আদালত এই কারাদণ্ড দিয়েছে।

এই মামলায় মোট ৪৬ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সাজার বিষয়টি বিবিসি বাংলার কাছে নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল।

১০ বছর আগে ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন।

এর একটিতে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল।

আরেকটি হচ্ছে, ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ।

দুটি মামলার তদন্ত শেষ করে ২০১৪ সালে মামলার অভিযোগপত্র দায়ের করা হয়। এতে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামী করা হয়।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন এবং চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশীদ দুটি মামলাতেই আসামী।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি এবং ট্রি প্লানটেশনের নামে গ্রাহকদের চার হাজার কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করে পাচার করে।

এর ফলে দুটি প্রজেক্টে ২৫ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন